ঢাকা (১৯ সেপ্টেম্বর): সপ্তাহের প্রথম দিনে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) ও আরেক শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)সবকটি মূল্যসূচকের পতন হয়েছে। সেই সঙ্গে কমেছে লেনদেনের পরিমাণ।
আজ রবিবার শেয়ারবাজারে লেনদেনের পরিমাণ কমতে দেখা গেছে।
সময়ের সঙ্গে শেয়ারবাজারে পতনের মাত্রা বাড়তে থাকে। এতে দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইতে ১০৬টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ২৪৪টির। আর ২৬টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
এদিন ডিএসইতে লেনদেন শুরু হতেই একের পর এক প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমতে থাকে। ফলে লেনদেনের শুরুতেই মূল্যসূচকের পতনের আভাস পাওয়া যায়। আধাঘণ্টার লেনদেনে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ১১ পয়েন্ট কমে গেছে।
বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের দরপতনের কারণে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ৩৬ পয়েন্ট কমে সাত হাজার ১৯১ পয়েন্টে নেমে গেছে। অপর দুই সূচকের মধ্যে ডিএসইর শরিয়াহ্ ১০ পয়েন্ট কমে এক হাজার ৫৬৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর বাছাই করা ভালো কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক ১৮ পয়েন্ট কমে দুই হাজার ৬৫৫ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
টাকার অংকে ডিএসইতে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে বেক্সিমকোর শেয়ার। কোম্পানিটির ১৩২ কোটি ৭৫ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা লংকাবাংলা ফাইন্যান্সের ৬৪ কোটি ৮৩ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। ৪৯ কোটি এক লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনের মাধ্যমে তৃতীয় স্থানে রয়েছে বেক্সিমকো ফার্মা।
সূচকের পতনের পাশাপাশি ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণও কমেছে। দিনভর বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে দুই হাজার ৩৩ কোটি ৭৭ লাখ টাকা। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয় দুই হাজার ১৬৭ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। সে হিসাবে লেনদেন কমেছে ৩৩ কোটি ৬১ লাখ টাকা।
এছাড়াও ডিএসইতে লেনদেনের দিক থেকে শীর্ষ দশ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে-সাইফ পাওয়ার টেক, ডমিনেজ স্টিল বিল্ডিং, ইসলামিক ফাইন্যান্স, আলিফ মেনুফ্যাকচারিং, আইপিডিসি ফাইন্যান্স, অ্যাক্টিভ ফাইন ও ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো।
অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই কমেছে ১৫৮ পয়েন্ট। বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ৬৬ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩১৬টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৮৮টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ২১৩টির ও ১৫টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।