ইরানকে দেওয়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump-এর নির্ধারিত সময়সীমা শেষের পথে। তবে এখনো পর্যন্ত তাঁর ‘আল্টিমেটাম’ মেনে নেওয়ার কোনো স্পষ্ট ইঙ্গিত দেয়নি ইরান।
এ পরিস্থিতিতে ট্রাম্প এক জটিল কূটনৈতিক ও সামরিক সংকটের মুখে পড়েছেন বলে বিশ্লেষণ করেছেন Anthony Zurcher। BBC-এর এই বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো সমঝোতা না হলে ট্রাম্প সময়সীমা বাড়ানোর পথ বেছে নিতে পারেন।
তবে ইরানকে কঠোর হুঁশিয়ারি দেওয়ার পর পিছু হটলে তাঁর রাজনৈতিক বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, বিশেষ করে বর্তমান উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে।
অন্যদিকে, ট্রাম্পের সামনে আরেকটি বিকল্প হলো তাঁর হুমকি বাস্তবায়ন করা। যদিও তিনি একাধিকবার জানিয়েছেন, এমন পথে যেতে তিনি অনিচ্ছুক।
ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের জনগণ মার্কিন সামরিক চাপ মোকাবিলায় প্রস্তুত। এমনকি কেউ কেউ নিজেদের শহরে হামলাকেও মেনে নিতে রাজি—এমন মন্তব্যও করেছেন তিনি। তবে একই সঙ্গে তিনি স্বীকার করেছেন, সম্ভাব্য হামলায় যে ক্ষয়ক্ষতি হবে, তা পুনর্গঠনের দায়িত্ব শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রকেই নিতে হতে পারে।
গত রোববার ইরানকে উদ্দেশ করে ট্রাম্প বলেন, মঙ্গলবার হতে পারে ‘বিদ্যুৎকেন্দ্র দিবস’ ও ‘সেতু দিবস’। তিনি সময়সীমা নির্ধারণ করেন মঙ্গলবার রাত ৮টা (যুক্তরাষ্ট্র সময়), যা বাংলাদেশ সময় বুধবার সকাল ৬টা।
এর আগে সোমবার তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তেহরান যদি হরমুজ প্রণালি খোলার বিষয়ে কোনো চুক্তিতে না পৌঁছায়, তাহলে ‘এক রাতেই’ ইরানকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া হতে পারে।
তথ্যসূত্র: বিবিসি



