হামের উপসর্গ নিয়ে ময়মনসিংহ, বরিশাল ও সিলেট বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় আরও চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকাল ৮টা পর্যন্ত এই মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে বরিশালে দুইজন, ময়মনসিংহে একজন এবং সিলেটে একজন শিশু রয়েছে।
শুক্রবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আগের ২৪ ঘণ্টায়ও একই কারণে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছিল। এ নিয়ে বিভাগটিতে হামের উপসর্গ ও শনাক্তের পর মোট ১৪ জনের মৃত্যু হলো।
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নগরের জামতলা মোড় এলাকার বাসিন্দা মো. রনি ও আরিফা আক্তারের তিন বছর বয়সী ছেলে আবদুল্লাহকে গত ২ এপ্রিল হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকদের মতে, সে আরও কিছু শারীরিক জটিলতায় ভুগছিল। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ২০ শিশু হামের লক্ষণ নিয়ে আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি হয়েছে। গত ১৭ মার্চ থেকে শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত মোট ৩৪৪ শিশুকে ভর্তি করা হয়। এর মধ্যে ২৬২ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে, ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং বর্তমানে ৭২ শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় আরও ২৩ শিশু সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে।
সিলেটে হামের উপসর্গ নিয়ে এক দিনের ব্যবধানে আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। দিব্য নামের সাত মাস বয়সী শিশুটি শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পেডিয়াট্রিক ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। তবে তার ঠিকানা প্রকাশ করা হয়নি। এ নিয়ে সিলেটে হামের উপসর্গে তিন শিশুর মৃত্যু হলো।
এর আগে বুধবার (৮ এপ্রিল) সন্ধ্যায় একই হাসপাতালে পাঁচ মাস বয়সী আরেক শিশু মারা যায়। তারও আগে ৬ এপ্রিল চার মাস বয়সী একটি শিশুর মৃত্যু হয়েছিল।



