যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার নাজুক যুদ্ধবিরতি পরিস্থিতি মূল্যায়ন করছেন বিনিয়োগকারীরা। এ অবস্থায় নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে স্বীকৃত স্বর্ণের চাহিদা বাড়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে এর দাম আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা ৫১ মিনিটে স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম ০.৩ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪,৭২৮.১৮ ডলারে পৌঁছায়। এর আগের দিন বুধবার (৮ এপ্রিল) তিন সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থানে উঠেছিল এই মূল্যবান ধাতুর দাম। তবে জুন ডেলিভারির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ড ফিউচারস ০.৫ শতাংশ কমে ৪,৭৫৪.৩০ ডলারে নেমে এসেছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বিশ্লেষক রস নরম্যান বলেন, ডলার দুর্বল হওয়ায় স্বর্ণের দামে ঊর্ধ্বগতি দেখা যাচ্ছে। তবে মধ্যপ্রাচ্যের অনিশ্চয়তা বাজারকে অস্থির করে তুলেছে, ফলে বিনিয়োগ ও লেনদেন কিছুটা কঠিন হয়ে পড়েছে।
তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতে স্বর্ণের দাম ৫ হাজার ডলারে পৌঁছানোর সম্ভাবনা থাকলেও তা তাৎক্ষণিক নয়। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতি কেমন থাকে, তার ওপর অনেক কিছু নির্ভর করবে।
অন্যান্য ধাতুর বাজারে রুপার দাম ০.৩ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৭৩.৯৩ ডলারে দাঁড়িয়েছে। প্লাটিনাম ০.৫ শতাংশ কমে ২,০১৯.০৫ ডলার এবং প্যালাডিয়াম ০.১ শতাংশ বেড়ে ১,৫৫৬.৯১ ডলারে পৌঁছেছে।
এদিকে দেশের বাজারে স্বর্ণের দামও উচ্চ অবস্থানে রয়েছে। বর্তমানে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪৭ হাজার ৯৭৭ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭২১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২ হাজার ৮৯৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৬৫ হাজার ২৭৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।



