রাজধানীর লালবাগ থানায় দায়ের করা আশ্রাফুল হত্যাচেষ্টার মামলায় সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর জামিন ও রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার এ আদেশ দেওয়া হয়।
এর আগে একই মামলায় শিরীন শারমিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে দুই দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটার দিকে আদালতে এ আবেদন করা হয়।
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় লালবাগ থানায় দায়ের করা হত্যাচেষ্টার মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। মঙ্গলবার ভোরে চাচাতো ভাই আরিফ মাসুদ চৌধুরীর ধানমন্ডির বাসা থেকে তাকে আটক করে ডিবি পুলিশ। আটকের পর মিন্টো রোডে ডিবি কার্যালয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত সহিংসতার ঘটনায় শিরীন শারমিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। এর মধ্যে রংপুরে গুলিবিদ্ধ হয়ে স্বর্ণশ্রমিক মুসলিম উদ্দিন (৩৮) নিহত হওয়ার ঘটনায় ২০২৪ সালের ২৭ আগস্ট তার বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন নিহতের স্ত্রী দিলরুবা আক্তার। ওই মামলায় সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশিসহ মোট ১৭ জনকে আসামি করা হয়। বর্তমানে টিপু মুনশি কারাগারে রয়েছেন।
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, শিরীন শারমিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে রাজধানীর উত্তরা ও বনানীসহ বিভিন্ন থানায় ছয়টি মামলা রয়েছে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তিনি দীর্ঘদিন আত্মগোপনে ছিলেন। একই বছরের ২ সেপ্টেম্বর তিনি রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগ করেন।
২০১৩ সালের ৩০ এপ্রিল তিনি জাতীয় সংসদের স্পিকার নির্বাচিত হন এবং পরবর্তীতে টানা এ দায়িত্ব পালন করেন। ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারির নির্বাচনের পর গঠিত সরকারে তিনি আবারও স্পিকার নির্বাচিত হন।



